প্রক্সি আগত সংযোগে যে উৎস ঠিকানা দেখে সেটি ব্যবহার করুন। ল্যাপটপের Wi-Fi ঠিকানা সব সময় সেটি নয়।

যেমন ব্যক্তিগত ঠিকানা 192.168.1.20-এর ল্যাপটপ NAT রাউটার দিয়ে দূরবর্তী প্রক্সিতে যেতে পারে। প্রক্সি সাধারণত রূপান্তরিত প্রকাশ্য উৎস দেখে, তাই ল্যাপটপের ব্যক্তিগত ঠিকানার অনুমতি-নিয়ম মিলবে না। ব্যক্তিগত পথে ঠিকানা অপরিবর্তিত থাকলে একই ব্যক্তিগত ঠিকানা সঠিক নিয়মও হতে পারে।

প্রক্সির প্রবেশসীমায় পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করুন: নিজে চালালে সংযোগ/অ্যাক্সেস লগ দেখুন, নইলে পরিচালিত পরিষেবার নথিভুক্ত ক্লায়েন্ট-ঠিকানা পদ্ধতি নিন। ব্রাউজারের IP যাচাই পেজ শুধু প্রেক্ষাপট, কারণ সেটি অন্য পথে যেতে পারে। আসল অ্যাপ ও পথ পরীক্ষা করুন; অন্য প্রক্সি, VPN বা নেটওয়ার্ক বদল উৎস বদলাতে পারে।

একাধিক ডিভাইস একটি রূপান্তরিত ঠিকানা ভাগ করতে পারে। IP নিয়ম নেটওয়ার্কের উৎস চেনে, একজন ব্যবহারকারী নয়; তাই প্রমাণীকরণও লাগবে কি না ঠিক করুন। উৎস বদলালে সব ঠিকানার জন্য পরিষেবা না খুলে সমর্থিত হালনাগাদ বা প্রমাণীকরণ নীতি রাখুন।

নিয়ম প্রয়োগে ইনস্টল করা প্রক্সি সংস্করণে অবস্থান ও শেষের ডিফল্ট প্রত্যাখ্যান দেখুন, তারপর অনুমোদিত ও প্রত্যাখ্যাত উৎস পরীক্ষা করুন। যেমন Squid-এর অ্যাক্সেস ক্রম পরের বাধা নিষ্প্রভ করতে পারে। উৎস ও গন্তব্য/পোর্টের অনুমতি আলাদা সিদ্ধান্ত; সঠিক ক্লায়েন্ট ঠিকানা মানেই সব গন্তব্য অনুমোদন নয়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ